Gbaze-এ নিয়মিত খেলুন, পয়েন্ট সংগ্রহ করুন এবং ধাপে ধাপে ভিআইপি স্তরে উন্নীত হন। প্রতিটি স্তরে অপেক্ষা করছে আরও বড় ক্যাশব্যাক, বিশেষ বোনাস এবং ব্যক্তিগত সেবা।
ভিআইপি হওয়ার যাত্রা শুরু করুন
পাঁচটি স্তরে বিভক্ত Gbaze ভিআইপি প্রোগ্রাম – প্রতিটি স্তরে নতুন সুবিধা
Gbaze ভিআইপি হলে যেসব বাড়তি সুবিধা পাবেন
কোন গেমে কত পয়েন্ট পাবেন – একনজরে দেখুন
| গেমের ধরন | প্রতি ৳১০০ বেটে পয়েন্ট | বোনাস পয়েন্ট | মন্তব্য |
|---|---|---|---|
| স্পোর্টস বেটিং | ১০ পয়েন্ট | লাইভ বেটে ২x | ক্রিকেট, ফুটবলসহ সব স্পোর্টস |
| লাইভ ক্যাসিনো | ১৫ পয়েন্ট | উইকেন্ডে ১.৫x | Baccarat, Roulette, Teen Patti |
| স্লট গেম | ১২ পয়েন্ট | নতুন গেমে ২x | সব ধরনের স্লট অন্তর্ভুক্ত |
| ফিশিং গেম | ৮ পয়েন্ট | — | আর্কেড ও ফিশিং সিরিজ |
| ভার্চুয়াল স্পোর্টস | ৮ পয়েন্ট | — | ভার্চুয়াল ক্রিকেট ও ফুটবল |
| ক্র্যাশ গেম | ১৩ পয়েন্ট | হাই মাল্টিপ্লায়ারে বোনাস | Aviator, JetX ও অন্যান্য |
পয়েন্ট জমা হওয়ার সাথে সাথে আপনার স্তর স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপগ্রেড হয়
উদাহরণ: একজন গোল্ড সদস্যের অগ্রগতি
অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মে ভিআইপি প্রোগ্রাম থাকাটা এখন সাধারণ ব্যাপার হয়ে গেছে। কিন্তু সব প্রোগ্রাম এক না। কিছু প্ল্যাটফর্ম শুধু নামে ভিআইপি বলে, বাস্তবে সুবিধাগুলো খুবই সীমিত। Gbaze-এর ভিআইপি প্রোগ্রাম এই দিক থেকে একটু আলাদা – এখানে প্রতিটি স্তরের সুবিধা স্পষ্ট, নির্দিষ্ট এবং সত্যিকারের কাজের।
বাংলাদেশের গেমারদের কথা মাথায় রেখেই Gbaze তাদের ভিআইপি সিস্টেম ডিজাইন করেছে। এখানে বড় অঙ্কের ডিপোজিট না করেও ধীরে ধীরে উপরের স্তরে যাওয়া সম্ভব। নিয়মিত খেললেই পয়েন্ট জমে, আর একসময় দেখা যায় গোল্ড বা প্লাটিনামে পৌঁছে গেছেন।
অনেকে ক্যাশব্যাককে তেমন গুরুত্ব দেন না, কিন্তু হিসাব করলে বুঝবেন এটা বেশ বড় সুবিধা। ধরুন আপনি সপ্তাহে মোট ৳১০,০০০ বেট করলেন এবং ভাগ্য ভালো না থাকায় ৳২,০০০ হারলেন। গোল্ড স্তরে থাকলে আপনি ১০% ক্যাশব্যাক পাবেন মানে ৳১,০০০ ফেরত পাবেন। আসল ক্ষতি হবে মাত্র ৳১,০০০। এভাবে সময়ের সাথে ক্যাশব্যাক বেশ বড় একটা পার্থক্য তৈরি করে।
ডায়মন্ড স্তরে ২০% ক্যাশব্যাকের মানে একই পরিস্থিতিতে আপনি ৳২,০০০-এর মধ্যে ৳২,০০০-ই ফেরত পাবেন – অর্থাৎ হারের ক্ষতিটা প্রায় পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব।
গোল্ড স্তর থেকে Gbaze প্রতিটি সদস্যকে একজন ডেডিকেটেড অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার দেয়। এর মানে হলো, আপনার যেকোনো সমস্যা – ডিপোজিট আটকে গেছে, উইথড্রল হচ্ছে না, বোনাস ক্রেডিট হয়নি – যাই হোক না কেন, সাথে সাথে একজন নির্দিষ্ট মানুষের সাথে কথা বলতে পারবেন। সাধারণ কাস্টমার সার্ভিসে লম্বা লাইনে অপেক্ষা করতে হয় না।
এই ম্যানেজার আপনার পছন্দ ও খেলার ধরন বোঝেন, তাই আপনার জন্য প্রযোজ্য অফারগুলো আলাদাভাবে জানিয়ে দেন। ধরুন আপনি মূলত ক্রিকেট বেটিং করেন – আপনার ম্যানেজার IPL বা বিশ্বকাপের বিশেষ অফার আসলে সবার আগে আপনাকে জানাবেন।
Gbaze-এর ভিআইপি পয়েন্ট মাসিক রিসেট হয় না – এটা একটা বড় সুবিধা। মানে আপনি ধীরে ধীরে পয়েন্ট জমাতে পারবেন কোনো চাপ ছাড়াই। তবে কিছু কৌশল জানলে দ্রুত উপরে যাওয়া সম্ভব।
প্রথমত, উইকেন্ডে লাইভ ক্যাসিনো বেশি খেলুন কারণ তখন বোনাস পয়েন্ট পাওয়া যায়। দ্বিতীয়ত, নতুন স্লট গেম চালু হলে সেগুলো ট্রাই করুন – নতুন গেমে সাধারণত ডবল পয়েন্ট দেওয়া হয়। তৃতীয়ত, লাইভ স্পোর্টস বেটিংয়ে ২x পয়েন্ট পাওয়া যায়, তাই ম্যাচ চলাকালীন বাজি ধরলে পয়েন্ট দ্রুত বাড়ে।
চতুর্থত, Gbaze নিয়মিত বিশেষ পয়েন্ট ইভেন্ট আয়োজন করে যেখানে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্দিষ্ট গেম খেললে অতিরিক্ত পয়েন্ট পাওয়া যায়। এই ইভেন্টগুলো মিস না করলে মাসে বাড়তি হাজার হাজার পয়েন্ট জমানো সম্ভব।
যারা Gbaze ডায়মন্ড স্তরে পৌঁছেছেন তাদের অভিজ্ঞতা বলে এই স্তরটা সত্যিই আলাদা। এখানে নো-ওয়েজারিং বোনাস পাওয়া যায় – মানে বোনাস টাকা জেতার পরে আর বারবার বেট করতে হয় না, সরাসরি উইথড্রল করা যায়। উচ্চতর বেটিং লিমিট মানে বড় ম্যাচে বড় বাজি ধরার সুযোগ। আর কাস্টম বোনাস মানে আপনার নির্দিষ্ট চাহিদা অনুযায়ী অফার তৈরি করা হয়।
এছাড়া ডায়মন্ড সদস্যরা Gbaze-এর বিশেষ ভিআইপি ইভেন্টে আমন্ত্রণ পান। এই ইভেন্টগুলোতে লাইভ টুর্নামেন্ট, বিশেষ গেমিং সেশন এবং এক্সক্লুসিভ পুরস্কারের ব্যবস্থা থাকে।
যদি এইমাত্র Gbaze-এ যোগ দিয়ে থাকেন এবং ভিআইপি প্রোগ্রামে আগ্রহী হন, তাহলে প্রথমে নিজের পছন্দের গেম বেছে নিন। সবকিছুতে একটু একটু করে বাজি ধরার চেয়ে নির্দিষ্ট কয়েকটা গেমে মনোযোগ দেওয়া ভালো। এতে গেমটা ভালো বোঝা যায় এবং জেতার সম্ভাবনাও বাড়ে।
ব্রোঞ্জ থেকে সিলভারে যেতে মাত্র ৫,০০০ পয়েন্ট দরকার। নিয়মিত খেললে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই সিলভার হওয়া সম্ভব। একবার সিলভার হলে ৬% ক্যাশব্যাক শুরু হয় এবং প্রায়রিটি সাপোর্ট পাওয়া যায়। এরপর ধীরে ধীরে গোল্ডের দিকে এগিয়ে যান।
মনে রাখবেন, Gbaze-এর ভিআইপি প্রোগ্রামে সাফল্যের চাবিকাঠি হলো ধারাবাহিকতা। একদিনে অনেক বেশি বাজি না ধরে প্রতিদিন নিয়মিত একটু একটু করে খেলুন। এতে পয়েন্টও জমে, আবার বাজেটও নিয়ন্ত্রণে থাকে।
আমাদের ভিআইপি সদস্যরা কী বলছেন
ভিআইপি প্রোগ্রাম নিয়ে প্রায়ই জিজ্ঞেস করা প্রশ্নের উত্তর